##########
''যে জাতীয়তাবাদ তথা
আসোবিয়্যার জাহেলী আহবানের দিকে মানুষকে ডাকে সে যেন তার পিতার লজ্জাস্থান
কামড়ে ধরে পড়ে আছে (তাকে ছাড়তে চাইছে না)।এরপর রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, এবং
একথাটি লুকিয়ে রেখো না অর্থাৎ বলার ক্ষেত্রে কোনো লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ
করোনা।إِذَا الرَّجُلُ تَعَزَّى بِعَزَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ فَأَعِضُّوهُ
بِهَنِ أَبِيهِ وَلَا تَكْنُواমুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২১২৩৬
''রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এবং সাহাবাগণ(রাঃ) সবসময় উত্তম ভাষায় কথা বলতেন। এমনকি চরম তিরস্কার করার সময়েও উনারা বাক্য চয়নে সতর্ক থাকতেন। কিন্তু জাতীয়তাবাদ নিয়ে স্বয়ং রাসুল(সাঃ) এই ভাষা ব্যবহার করতে বলেছেন। কারণ প্রত্যেক মানুষ তাদের পিতার লজ্জাস্থান হতে নির্গত শুক্রানু হতে জন্ম নেয়। যখন সে বংশীয় ঐতিহ্যের অজুহাতে কিংবা পিতৃভূমি ও পিতৃ ভাষার কথা বলে সত্য অস্বীকার করে তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে থাকে।
কিছু মানুষের কথা শুনলে মনেহয় বংশের মুখে চুনকালি দিয়ে নিন্ম বংশীয় কন্যার হাত ধরে পলায়ন আর ইসলামের কারণে বংশীয় রীতি ত্যাগ করা একই রকম। মক্কার কাফের সর্দারদের অনেকেই শুধুমাত্র গোত্র প্রীতির কারণে সত্য জেনেও অস্বীকার করেছে। যার ফলে আবুল হাকাম বা জ্ঞানীদের পিতা উপাধি ধারন করা ওমর বিন হিশাম শেষ পর্যন্ত আবু জাহল বা মূর্খদের পিতা হিসাবে দুনিয়ার কাছে পরিচিত হয়।
বিভক্ত ভারত পাকিস্তানের মানুষ ৪৭এর চেতনা ধারন করে একে অপরকে ঘৃণা করতে থাকে। পরবর্তীতে বিভক্ত বাংলাদেশ ৭১ এর চেতনায় পাকিস্তান বিরোধিতায় চেতিয়া উঠে। অথচ দুই ক্ষেত্রেই যদি কেহ অপরাধ করে থাকে তা কিছু শাসক করেছে যারা কুফরের তাবেদারি করত। অথচ ঐ কুফর, কুফরি মতাদর্শ আর কুফরের দালালদের বদলে নির্দিষ্ট ভুমির মানুষ একে অপরকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে। বলা যায় ঐ একই কুফরি শক্তি আমাদের পরস্পরের মাঝে ঘৃণা ছড়িয়ে দিয়েছে তাদের মিডিয়া ব্যবহার করে।
ভাষা যা আল্লাহর দান। এই ভাষা কোন ভুমির মানুষের সম্পত্তি নয়। এটা ভাব আদান প্রদানের মাধ্যম মাত্র। অথচ এখানে দুই দলকে বলা হল তোমাদের ভাষা উত্তম, শ্রুতিমধুর, সকল ভাষার সেরা এইসব। শাসকদের উস্কানো হল। তারা একটি ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দিল। আবার অপর দল এই ভাষার জন্য জীবন দিয়ে দিল। কিন্তু সেই ভাষা যখন কিছু সিরিয়াল, সিনেমার মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তখন ঐ চেতনাধারি দেশপ্রেমিকের দল উচ্চবাচ্য করছে না।কারন এতে প্রভু অসন্তুষ্ট হবে।
যে ভুমির মাটি মায়ের শরীরের মত বলে হাজারো সঙ্গীতের ম্যাতকার শুরু করল শিল্পমনার দল। সেই ভুমি যখন একরের পর একর ভারত সরকার দখল করে তখন মায়ের অঙ্গহানি হয়না। মায়ের ধনসম্পদ যখন কিছু বহুজাতিক কোম্পানি লুটে নেয় তখন মায়ের কুলাঙ্গার সন্তানেরা বাদ্য বাজিয়ে চিয়ারলিড করে।
মূল কথা হল এই ভাষা আর ভুমি শুধুমাত্র আবেগ। এই আবেগকে ব্যবহার করে মনুষ্যরচিত বিধান চাপিয়ে দেয়া হয় আর লুটপাটের লাইসেন্স করে নেয়। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত মার্কিন ভারত পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে যে পৃথক খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তথা জুম্মাল্যান্ড করার পরিকল্পনা হচ্ছে তা বাস্তবায়ন হবে। আর তারাও কোন এক সালের বিশেষ দিনে চেতনায় চেতিয়া চুং চাং করে গীত গাইবে। এইভাবে তারা বাংলাদেশকে হানাদার রাষ্ট্র হিসাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ঘৃণা করে যাবে। আর শত্রু রাষ্ট্র হিসাবে পররাষ্ট্র পর্যায়ে ক্ষমা চাইবার বিল পাশ হবে। আমরা ভিসা, পাসপোর্ট নিয়ে রাঙ্গামাটি হানিমুনে যাব।
আল্লাহ্ যেন ওইদিন দেখার পূর্বেই আমাদের খিলাফাহ রাষ্ট্র দান করেন। আমাদের যেন তৌফিক দেন ঐ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজ করার যার সীমানা হবে তুরস্ক থেকে ইন্দোনেশিয়া। যেখানে কোন বর্ডার থাকবে না। কোন নেতা পূজা থাকবে না। থাকবে কেবল মহান প্রতিপালকের প্রশংসাধ্বনি।
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
by Ralph Rover
''রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এবং সাহাবাগণ(রাঃ) সবসময় উত্তম ভাষায় কথা বলতেন। এমনকি চরম তিরস্কার করার সময়েও উনারা বাক্য চয়নে সতর্ক থাকতেন। কিন্তু জাতীয়তাবাদ নিয়ে স্বয়ং রাসুল(সাঃ) এই ভাষা ব্যবহার করতে বলেছেন। কারণ প্রত্যেক মানুষ তাদের পিতার লজ্জাস্থান হতে নির্গত শুক্রানু হতে জন্ম নেয়। যখন সে বংশীয় ঐতিহ্যের অজুহাতে কিংবা পিতৃভূমি ও পিতৃ ভাষার কথা বলে সত্য অস্বীকার করে তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে থাকে।
কিছু মানুষের কথা শুনলে মনেহয় বংশের মুখে চুনকালি দিয়ে নিন্ম বংশীয় কন্যার হাত ধরে পলায়ন আর ইসলামের কারণে বংশীয় রীতি ত্যাগ করা একই রকম। মক্কার কাফের সর্দারদের অনেকেই শুধুমাত্র গোত্র প্রীতির কারণে সত্য জেনেও অস্বীকার করেছে। যার ফলে আবুল হাকাম বা জ্ঞানীদের পিতা উপাধি ধারন করা ওমর বিন হিশাম শেষ পর্যন্ত আবু জাহল বা মূর্খদের পিতা হিসাবে দুনিয়ার কাছে পরিচিত হয়।
বিভক্ত ভারত পাকিস্তানের মানুষ ৪৭এর চেতনা ধারন করে একে অপরকে ঘৃণা করতে থাকে। পরবর্তীতে বিভক্ত বাংলাদেশ ৭১ এর চেতনায় পাকিস্তান বিরোধিতায় চেতিয়া উঠে। অথচ দুই ক্ষেত্রেই যদি কেহ অপরাধ করে থাকে তা কিছু শাসক করেছে যারা কুফরের তাবেদারি করত। অথচ ঐ কুফর, কুফরি মতাদর্শ আর কুফরের দালালদের বদলে নির্দিষ্ট ভুমির মানুষ একে অপরকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে। বলা যায় ঐ একই কুফরি শক্তি আমাদের পরস্পরের মাঝে ঘৃণা ছড়িয়ে দিয়েছে তাদের মিডিয়া ব্যবহার করে।
ভাষা যা আল্লাহর দান। এই ভাষা কোন ভুমির মানুষের সম্পত্তি নয়। এটা ভাব আদান প্রদানের মাধ্যম মাত্র। অথচ এখানে দুই দলকে বলা হল তোমাদের ভাষা উত্তম, শ্রুতিমধুর, সকল ভাষার সেরা এইসব। শাসকদের উস্কানো হল। তারা একটি ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দিল। আবার অপর দল এই ভাষার জন্য জীবন দিয়ে দিল। কিন্তু সেই ভাষা যখন কিছু সিরিয়াল, সিনেমার মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তখন ঐ চেতনাধারি দেশপ্রেমিকের দল উচ্চবাচ্য করছে না।কারন এতে প্রভু অসন্তুষ্ট হবে।
যে ভুমির মাটি মায়ের শরীরের মত বলে হাজারো সঙ্গীতের ম্যাতকার শুরু করল শিল্পমনার দল। সেই ভুমি যখন একরের পর একর ভারত সরকার দখল করে তখন মায়ের অঙ্গহানি হয়না। মায়ের ধনসম্পদ যখন কিছু বহুজাতিক কোম্পানি লুটে নেয় তখন মায়ের কুলাঙ্গার সন্তানেরা বাদ্য বাজিয়ে চিয়ারলিড করে।
মূল কথা হল এই ভাষা আর ভুমি শুধুমাত্র আবেগ। এই আবেগকে ব্যবহার করে মনুষ্যরচিত বিধান চাপিয়ে দেয়া হয় আর লুটপাটের লাইসেন্স করে নেয়। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত মার্কিন ভারত পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে যে পৃথক খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তথা জুম্মাল্যান্ড করার পরিকল্পনা হচ্ছে তা বাস্তবায়ন হবে। আর তারাও কোন এক সালের বিশেষ দিনে চেতনায় চেতিয়া চুং চাং করে গীত গাইবে। এইভাবে তারা বাংলাদেশকে হানাদার রাষ্ট্র হিসাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ঘৃণা করে যাবে। আর শত্রু রাষ্ট্র হিসাবে পররাষ্ট্র পর্যায়ে ক্ষমা চাইবার বিল পাশ হবে। আমরা ভিসা, পাসপোর্ট নিয়ে রাঙ্গামাটি হানিমুনে যাব।
আল্লাহ্ যেন ওইদিন দেখার পূর্বেই আমাদের খিলাফাহ রাষ্ট্র দান করেন। আমাদের যেন তৌফিক দেন ঐ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজ করার যার সীমানা হবে তুরস্ক থেকে ইন্দোনেশিয়া। যেখানে কোন বর্ডার থাকবে না। কোন নেতা পূজা থাকবে না। থাকবে কেবল মহান প্রতিপালকের প্রশংসাধ্বনি।
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
by Ralph Rover
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন